দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যশোরের অভয়নগরে সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল হোসেন (৪২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ দিন পর বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
গত ২৯ মে ঈদুল আজহার পরদিন সকালে অভয়নগরের বাহিরঘাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় রুবেল পুকুরে ঝাঁপ দেন বলে জানা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানান।
নিহতের পরিবারের দাবি, বিচ্ছেদের প্রায় নয় মাস পর সাবেক স্ত্রী পারভিনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে সংসার শুরু করার উদ্দেশ্যে তিনি শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে তাকে মারধর করে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ তাদের।
এ ঘটনায় সাবেক স্ত্রী পারভিন, তার দুলাভাই জাফর ইকবালসহ শ্বশুরবাড়ির কয়েকজনকে দায়ী করেছে পরিবার। তবে অভিযুক্তদের দাবি, রুবেল নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ গড়িমসি করে। পরে একটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মামলা রেকর্ড করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
নিহতের বাবা আশরাফ আলী মোড়ল অভিযোগ করেন, রুবেল লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায়ও পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি এবং বরং পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেই মামলা দেওয়ার চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে।
নিহতের বড় ভাই জিয়াউর রহমান বলেন, পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে উদাসীন ছিল এবং উল্টো নিহতের পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অভয়নগর থানার সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।
জে আই